Chocolate Gur ( খেজুরের বীজ/ চকলেট গুড়)
পাটালি গুড় (Khejur Gur) বানানোর সময় রস জাল দিয়ে লালি গুড়ের চেয়েও ঘন করে, এরপর চুলা থেকে নামায়। নামিয়ে এক কোনায় অল্প কিছু গুড় কাঠের খুন্তি দিয়ে ঘষে-ঘষে বিজ তৈরি করে। সেই বীজ বাকি সব গুড়ের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিলেই গুড় জমাট বাধা শুরু করে। অবশেষে তৈরি করা হয় থানগুড় বা পাটালি গুড়। তাই বীজকে বলা যায় জমাট গুড়ের পূর্বপুরুষ!
এখন কতটুকু গুড় তৈরিতে কতটুকু বীজ (Bij) লাগে এটা আগের রাতের আবহাওয়া, রসের কোয়ালিটি ইত্যাদি অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে।
Hajari Gur (হাজারি গুড়)
মানিকগঞ্জের হাজারি গুড় শত বছরের ঐতিহ্যবাহী খেজুর গুড়, লোভনীয় স্বাদ ও মনমুগ্ধকর সুগন্ধের জন্য দেশের পাশাপাশি লন্ডন, ইতালি, ভারতসহ বিদেশেও সমাদৃত। হাজারি পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই গুড় উৎপাদনে যুক্ত। ঐতিহ্যবাহী এই গুড়কে সরকারিভাবে ‘ঝিটকার হাজারি গুড়’ নামে ব্র্যান্ডিং করা হয়েছে।
উৎপাদন প্রক্রিয়ায় খেজুরের রসকে ধীরে ধীরে জ্বাল দিয়ে ফুটিয়ে মাটির পাত্রে ছেকে, দুইজন কারিগর কাঠ বা তালের লাঠি দিয়ে ঘুটা দিতে দিতে ধবধবে সাদা বাদামি রঙে রূপান্তরিত করা হয়। এটি পিঠা-পায়েশ, মিষ্টি এবং দৈনন্দিন খাবারে ব্যবহার উপযোগী।
Jashorer Danadar Gur (যশোরের দানাদার গুড়)
Khejurer Khuri Patali (খেজুরের খুড়ি পাটালি)
খেজুরের খুড়ি পাটালি গুড় (বৃহত্তর যশোর)
বৃহত্তর যশোর–চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের খাঁটি খেজুরের রস থেকে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি। প্রায় ৭–৮ লিটার রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হয় ১ কেজি পাটালি গুড়। কোনো চুন বা কেমিক্যাল ছাড়াই, দক্ষ ও বিশ্বস্ত গাছিদের সংগ্রহ করা তাজা রস ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও সুগন্ধে ভাপা-পুলি পিঠা, পায়েস, রুটি ও চা-দুধে ব্যবহার উপযোগী।
বৃহত্তর যশোর–চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের খাঁটি খেজুরের রস থেকে ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে তৈরি। প্রায় ৭–৮ লিটার রস জ্বাল দিয়ে তৈরি হয় ১ কেজি পাটালি গুড়। কোনো চুন বা কেমিক্যাল ছাড়াই, দক্ষ ও বিশ্বস্ত গাছিদের সংগ্রহ করা তাজা রস ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও সুগন্ধে ভাপা-পুলি পিঠা, পায়েস, রুটি ও চা-দুধে ব্যবহার উপযোগী।
Khejurer Patali Gur (খেজুরের পাটালি গুড়)
খেজুরের রস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহ করে খেজুর থেকে গুড় তৈরি করা হয়, কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার হয় না। প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় রসকে মাটির চুলায় ধীরে ধীরে ঘন করা হয়, ফেনা তুলে খালিস গুড় নিশ্চিত করা হয়। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামে ভরপুর, যা রক্তস্বল্পতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। দৈনন্দিন খাবারে চা, ভাত, পায়েশ বা পিঠা-মিষ্টিতে ব্যবহার উপযোগী। সংরক্ষণ শীতল, শুকনো ও অর্দ্রতা-বিমুক্ত স্থানে করতে হয়।